১৮তম সংখ্যা , জানুয়ারি ২০২০
চলচ্চিত্র-সঙ্গীতে ভাস্বর শাহনাজ ও সুবীর
চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ও শিল্পী নির্বাক চলচ্চিত্রে পর্দার আড়ালের সেই কট কট, ঘট ঘট শব্দ একটা সময় পর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। এই বিরক্তি থেকে মুক্তির প্রয়াসেই চলচ্চিত্রে প্রথম সঙ্গীতের ব্যবহার। অথচ বর্তমানে সেই সঙ্গীত ব্যতীত চলচ্চিত্র মানুষের কাছে কল্পনাতীত।
সময়ের পরতে পরতে আঘাত করা নির্মাতা আনিয়েস ভার্দা’র নেশাময় এক জীবন
কর্মনাশা মানবের উপাখ্যান কিছু মানুষের জন্মই হয় পাহাড়সম অসমকে ভাঙার জন্য। এই মানুষগুলোই পৃথিবীকে আলো দেখায়, বাঁচতে শেখায়, পথ দেখায়। এদের একজন ফরাসি নির্মাতা আনিয়েস ভার্দা। যিনি সত্যিকার অর্থেই চলচ্চিত্রিক একটা পথ তৈরি করে গেছেন তার সৃষ্টির মধ্য দিয়ে। ২০১৯
চলচ্চিত্রায়ণ হলো প্রেক্ষাপট ও সময়কে পুরোপুরি ধারণের নিবিড় পথ
২০১৯ খ্রিস্টাব্দে চলচ্চিত্রাকাশ থেকে হারিয়ে গেছেন আনিয়েস ভার্দা নামে এক নক্ষত্র। ফরাসি এই নির্মাতা সারা পৃথিবীতে পরিচিত ফরাসি নবতরঙ্গের দাদি হিসেবে। ৬৬ বছরের চলচ্চিত্র জীবনে তিনি অনেক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। নারী ইস্যুতে তিনি ছিলেন সবসময়ই সরব। এছাড়া চলচ্চিত্রে
চলচ্চিত্র-সঙ্গীতে ভাস্বর শাহনাজ ও সুবীর
চলচ্চিত্র, সঙ্গীত ও শিল্পী নির্বাক চলচ্চিত্রে পর্দার আড়ালের সেই কট কট, ঘট ঘট শব্দ একটা সময় পর বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। এই বিরক্তি থেকে মুক্তির প্রয়াসেই চলচ্চিত্রে প্রথম সঙ্গীতের ব্যবহার। অথচ বর্তমানে সেই সঙ্গীত ব্যতীত চলচ্চিত্র মানুষের কাছে কল্পনাতীত।
চলচ্চিত্রে ইতিহাস গড়া এক মানুষ ইতিহাসে বিস্মৃতের পথে
এক. ইফতেখারুল আলম কিসলুর জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে। ৫০-এর দশক থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রযোজক, পরিবেশক ও প্রদর্শক হিসেবে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কিসলু। ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম প্রযোজনা ও পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান
ঘোরতর কুয়াশা--এক হাত সামনে কী ঘটছে তা ঠাওর করতে না পারা, সেই ফাঁদে ঢাকা শহরের বেশিরভাগ নাগরিকের চোখই পড়েছিলো ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ২০ ডিসেম্বরের সকালটিতে। তারপরও পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী এদিন এফ ডি সি (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন) প্রাঙ্গণে ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর
দৃশ্যগত মাধ্যমে ইতিহাস বদলের রাজনীতি : প্রসঙ্গ ‘মুক্তি’
মুক্তি এবং মুক্তিযুদ্ধ একাত্তরে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। নয় মাসের এই যুদ্ধের শেষের দিকে ভারত প্রত্যক্ষভাবে এতে জড়িয়ে পড়ে। যা যুদ্ধকে দ্রুত সমাপ্তির দিকে নিয়ে যায়। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে
বাংলার ‘শেষ স্বাধীন নায়ক’ মান্না
১. ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত থেকে হিসাব করলে ‘আমিত্ব’ ও ‘অপর’ সমবয়সি। ‘আধিপত্য’ ও ‘দলিত’র বয়সের বিচারের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। এই ‘আমিত্ব’ ও ‘আধিপত্যের’ বিরুদ্ধে ‘অপর’ কিংবা ‘দলিত’র প্রতিবাদী একটা কর্মসূচি সবসময় থাকে; থাকবেই। এই বিক্ষোভ কর্মসূচি সমাজের
দৃশ্যকলার সৃজনশীল কারিগর বেবী ইসলাম
‘উইংস অব ফায়ার : অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ বইয়ে ভারতের সাবেক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবুল কালাম বলেছিলেন, স্বপ্ন তা নয় যা মানুষ ঘুমিয়ে দেখে, এটি সেই জিনিস যা তাকে ঘুমাতে দেয় না। তেমনই তরুণ শিক্ষার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ঘুমাতে পারেননি। ছেলেবেলা থেকে ছবি তোলার নেশায় বুঁদ
মোদি’র ‘ঈশ্বর’ হয়ে ওঠার পথে আরো এক ধাপ
ঈদ মানে খুশি, ঈদ বেদনা ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ২০০৬ খ্রিস্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর ভোরে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। দিনটি ছিলো মুসলমানদের সবচেয়ে বড়ো ধর্মীয় উৎসব ঈদ উল আজহার দিন। যখন ইরাকের মানুষ ঈদের নামাজ পড়ায় ব্যস্ত, তখন এক কথিত বিচারের রায়ে তার ফাঁসি কার্যকর
পর্দাগুলো হারিয়েছে বহুদিন এখন নামধামও অজানা
আলোচনা হোক উত্তরণের পথে চলচ্চিত্র এমন এক যৌগিক শিল্পমাধ্যম, যেখানে জীবনের খুব কাছাকাছি যাওয়া যায়। অবশ্য গল্প-উপন্যাসেও সেটা সম্ভব, তবে সেখানে পাঠককে কল্পনার আশ্রয় নিতে হয়। দৃশ্যগত মাধ্যম চলচ্চিত্রে কল্পনার সুযোগ কম থাকে। মাধ্যম হিসেবে এটি চলচ্চিত্রের ইতি-নেতিবাচক
স্বার্থ ভুলে পুঁজির লাগাম টেনে শিল্প রক্ষার মহাসংগ্রাম
... জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তুপ-পিঠে চলে যেতে হবে আমাদের।
অপশাসনের চৌকাঠ মাড়িয়ে স্বপ্ন দেখায় লাখো মানুষকে
হংকংয়ে ওং মেলে একবিংশ শতাব্দীর ঠিক এই সময়ে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে একপেশে প্রতিষ্ঠানের খেতাব, সে বিচারিক বোধে নতুবা যথেচ্ছাচার ফলানোর ভূমিকায় রাষ্ট্রকেই বোধহয় দেওয়া যায়। একই সঙ্গে বলা ভালো, সাম্প্রতিক সময়ে অধিকতর সর্বগ্রাসী বনে যাওয়া এ প্রতিষ্ঠানটি টিকেই থাকে তার ‘আন্ডার
রওশন জামিল এক আধুনিক ‘পঞ্চকন্যার’ কথকতা
ভূমিকা মানুষ তার জীবনাচরণে সারাজীবন অভিনয়ই করে মাত্র। বাবা, মা, স্বামী, স্ত্রী, ভাই, চাচা, দাদা--জীবন পরিক্রমায় বিবিধ চরিত্রে অভিনয় করতে হয় তাকে। এই অভিনয় স্বতঃস্ফূর্ত, যা ব্যক্তিসত্তার মধ্যেই নিহিত থাকে। তবে চলচ্চিত্রিক পরিসরে অভিনয়, ঠিক যেনো মুদ্রার উল্টো পিঠ।
এক. পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার কোলচরী গ্রামে রহিমা খাতুনের বাড়ি। ছয় ছেলে ও চার মেয়ে নিয়ে ১০ সন্তানের জননী রহিমা খাতুন। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে আমি তাকে বড়োমা বলেই ডাকি। তার কাছে বয়স জানতে চাইলে বলেন, ওই সময় কারো জন্মের দিন-ক্ষণ-তারিখ মনে রাখার তেমন দরকার ছিলো
বাড়ি থেকে কয়েক পা হাঁটলেই আমাদের গ্রামের হাট। নাম ঢোলার হাট। হাটখোলা পেরিয়েই বুড়ি পিসির বাড়ি। একদিন বিকেলে ঘুরতে ঘুরতেই তার বাড়ি যাই। বাড়িতে ঢুকে দেখি তিনি টেলিভিশনের সামনে ‘জি বাংলা’র কোনো একটা সিরিয়াল দেখছেন। অবশ্য পিসি একা নন, সঙ্গে তার বড়ো বোন ও পাশের বাড়ির
পলিমাটি দিয়ে তৈরি এই নরম ভূখণ্ডের মানুষের মনও যে কতো নরম তা হাজারো উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না। প্রায় বছর ত্রিশেক আগে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ধারাবাহিক নাটক ‘সংশপ্তক’ প্রচারিত হয়েছিলো। শহীদুল্লাহ কায়সারের এটি ছিলো বিগত যুগের কাহিনি নিয়ে এ যুগের গল্প। টিভি নাট্যরূপ
পর্ব. ৭ জনরা শ্রেণিবদ্ধকরণ যেকোনো বিজ্ঞানের প্রাথমিক কাজ। এতে বিজ্ঞানসম্মত আলোচনার সূত্রপাত ঘটে। জীববিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান--এই একই ধারায় অগ্রসর হয়। সে কারণে আমরা দেখতে পাই, ক্লাসিফিকেশন, টাইপিফিকেশন, স্পেসিস বা ক্যাটাগরি প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা
ঢাকাই চলচ্চিত্রের সত্য-বাস্তব আখ্যান ‘দি ডিরেক্টর’
পরীক্ষান্তে দেখা যায় যে, চলচ্চিত্রটিতে মূল কাহিনী অপর্যাপ্ত, এতে অশ্লীল সংলাপের ব্যবহার রয়েছে, একটি সাংস্কৃতিক পেশার গোষ্ঠিকে হেয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, চলচ্চিত্র শিল্পের প্রতি সাধারণ মানুষের ঘৃণা জন্মায় এমনভাবে কাহিনীর চিত্রায়ন করা হয়েছে, আগ্নোয়াস্ত্রের
রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে একফালি শৈল্পিক প্রতিবাদ
আ কোয়াইট প্লেইস চলচ্চিত্রটিকে কেউ বলছেন বিজ্ঞান কল্পকাহিনি, কেউ বলছেন হরর। আবার কেউ বলছেন, এটি দুটো জনরাকেই ছুঁয়েছে। তবে মনে হয়েছে, চলচ্চিত্রটি একজন নির্মাতার নিছক গল্প বলতে চাওয়া। তারপর সেই গল্প নিয়ে কী হবে, সেটা একান্তই দর্শকের ব্যাপার। যদি এটি কাউকে ভয় দেখায়,
নশ্বর মানবশরীর, সম্পর্ক আর উত্তরাধিকারে ভাটা ফেলে মোহ
শুরুর কথা নিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে মাতৃগর্ভে একটু একটু করে পূর্ণ হয় মানবশরীর। ধারাবাহিক কতোগুলো পর্যায় পার করে মানবশিশুর জন্ম হয়। ধীরে ধীরে সেই শিশু বড়ো হয়ে ওঠে। শৈশব-কৈশোর-তারুণ্য পেরিয়ে একসময় বার্ধক্যে পৌঁছায়। জন্মিলে মরিতে হবে--স্বাভাবিক নিয়মে মরতে হলে বার্ধক্যকে
রাষ্ট্রীয় টানাপড়েন নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় প্রশ্ন তোলা চলচ্চিত্র ‘হাউসফুল’
পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ... পৃথিবীটা যেনো ছোটো হতে হতে একেবারেই চলে আসছে হাতের মুঠোয়। স্যাটেলাইট, ক্যাবল আর বোকাবাক্সকে ছাড়িয়ে পুরো পৃথিবী এখন ছোট্ট স্মার্ট যন্ত্রটির মধ্যে হাজির। আবেগ-ভালোবাসা-কষ্ট-আনন্দ-অভিমান-হতাশা সব চলেছে এই যন্ত্রটির সঙ্গে। যোগাযোগের
ভয়ঙ্কর ক্ষমতা-কাঠামোর মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসার উঁকিঝুঁকি দেয় ‘হামিদ’
জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে জন্মগতভাবেই মানুষ স্বাধীনতাপ্রিয়। স্বাধীন থাকার প্রবল ইচ্ছা তাকে তাড়িত করে সবসময়। তবে কখনো কখনো অন্যায় আর শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সে স্বাধীনতা রক্ষা হয় না। তাই বলে মানুষ থেমে থাকে না। যুগে যুগে অন্যায় আর শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে
বোরখার ভিতরে বসে লিপস্টিকের আকাঙ্ক্ষা শেষ পর্যন্ত পুরুষতান্ত্রিক স্বপ্নই নয় কি?
লিপস্টিক আন্ডার মাই বোরখা আমি চেয়েছিলাম নারীদের বন্দিত্ব ও বন্দিদশা অর্থাৎ মুক্তির আকাঙ্ক্ষার অনুভবকে আরো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে। এটি এমন কিছু যা অনেক নারীই আঁকড়ে থাকে। এখানে বোরখা ব্যবহৃত হয়েছে রূপক অর্থে, ঠিক যেভাবে নারীরা তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে পর্দার
গুজব : কেবল কার্যকারণ ধরে গুজব বোঝার ব্যর্থ চেষ্টা
ভূমিকা সমাজ-রাষ্ট্রে এমন কিছু ‘স্পর্শকাতর’ শব্দ প্রচলিত আছে, যেগুলো মানুষের আবেগ, অনুভূতি ও বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িত। পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব শব্দ বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে নানা অর্থ তৈরি করলেও কখনো কখনো এগুলো মানুষকে নিয়ন্ত্রণ ও হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
রক্ত-মাংস-প্রকৃতি খেকোদের জয়গানে ‘অন্তর্যাত্রা’
একটি সত্য ঘটনা ও কিছু প্রশ্ন অপরাধবোধ থেকে আত্মজীবনীমূলক ‘কনফেশন অব অ্যান ইকোনমিক হিট ম্যান’ বইটি লিখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জন পারকিনসন। তার এই অপরাধবোধের জন্ম নিয়েছিলো কর্মজীবন থেকে, তার কাজ থেকে। পারকিনসন বিয়ে করেছিলেন ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে। স্ত্রী অ্যানের
পথ ভুলে যাওয়া এক রাজনৈতিক চলচ্চিত্র ‘শঙ্কর মুদি’
প্রতিটি চিন্তাই গড়ে ওঠে কোনো না কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে; নির্দিষ্ট মতাদর্শ নিয়ে। অবশ্য এর উল্টোটাও ঘটে। শিল্পের সমন্বয়কারী মাধ্যম চলচ্চিত্রও তাই-ই। যেখানে থাকে আলাদা আলাদা ব্যক্তির মত-পথ-চিন্তা। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি আলাদা হলেও চিন্তায় মিল থাকতেই পারে। তবে
দেশভাগের অন্য একটা দিক দেখার বোঝার চেষ্টা করা দরকার
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার, বিকেল পাঁচটা ১২৩, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর এই আয়োজন ‘ম্যাজিক লণ্ঠন বাতচিত’। এখানে ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’-এর আয়োজনে একজন নির্মাতা তার চলচ্চিত্র নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হন। চলচ্চিত্র
অভিনয় জীবন : ভুল করতে করতে শেখা, আবার নতুন ভুল করা
কথামালা ৮ ১২৩, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২৫ এপ্রিল ২০১৯ শেষ পর্ব. আরেকটা বিষয়, অভিনয় করতে গেলে মনে রাখতে হয়; চলচ্চিত্রের কোনো একটা দৃশ্যের শট্ যখন পরিচালক সঠিক বলে নির্ধারণ করে দেয়, তখন ওখানে কিন্তু আর কারেকশনের কিছু থাকে না। ভুল
দর্শকের খিদে বদলেছে, সেই খিদে অনুযায়ী সার্ভ করতে হবে
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি যেনো মরা নদীর মতো। পানির পরিবর্তে সেখানে এখন ধু-ধু বালুচর। বেড়ার ওপারে কলকাতার হালও খুব বেশি ভালো নয়। সোনালি অতীত মানুষকে এখন শুধুই স্মৃতিকাতর করে; আর প্রযুক্তির বদৌলতে ভবিষ্যতের কথা বলা তো মুশকিল। নখের ডগায় থাকা প্রযুক্তি মানুষকে
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়
বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমগুলোর ভিতরে চলচ্চিত্রের স্থান হচ্ছে সবচেয়ে পিছনের সারিতে, বরং বলা চলে শিল্পমাধ্যম হিসেবে চলচ্চিত্র এদেশের মানুষের কাছে বিন্দুমাত্র আবেদন সৃষ্টি করতে পারেনি। অথচ চিত্রকলা, সাহিত্য, সঙ্গীতসহ শিল্পকলার বিভিন্ন শাখাগুলো শিল্পের নিরিখে
স্মৃতিতে থিও এনজেলোপুলুস ও ল্যান্ডস্কেপ
১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় অনুষ্ঠিত ‘ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’টির আলাদা একটা তাৎপর্য ছিলো। সে বছর উৎসবটির ২৫তম আয়োজন ছিলো। এই উৎসবের সূচনা হয়েছিলো ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায়। সেই উৎসব সেসময়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে বিপুল অভিঘাতের সৃষ্টি করে।